Story of existence-Jasmina Khatun

অস্তিত্বের গল্পে
জাসমিনা খাতুন

যারা দূরত্বের অভ্যাসে অভিমানী,তাদের জন্য আমি দ্রুতগামী স্মৃতি হব—নির্জন, একাকী রাতে
বুকের মধ্যে বুকের সম্পর্কগুলো মোচড় দিয়ে আঁকড়ে ধরব।

পছন্দ–অপছন্দের পারাপারে আমি বাঁশের সাঁকো হব।আমার অবাধ্য পাখি ঠিক একদিন
সূর্যাস্তের সময় এই পথ দিয়ে,সুতির ছাপা শাড়ি পরে,খোঁপা এলিয়ে—বদলে যাওয়া শহর,বদলে যাওয়া দেশের ভিতর ফিরে আসবে।

ওর চোখ থেকে,ওর বুক থেকে
গড়িয়ে পড়বে আস্ত একটা নদী।

যানবাহন বদলের পথে সে সেদিন
এই সাঁকোটাকেই অবলম্বন করবে
অস্তিত্বের গল্পে।

রামপুরহাট, বীরভূম, ভারত
১৭/১১/২০২৫
Jasmina
হাত বাড়িয়ে
জাসমিনা খাতুন

টেলিস্কোপিক রাইফেলের নিখুঁত তাক—
তোমার দু’টি চোখ; লক্ষ্য আমি।

পেশাদার খুনি তুমি,
হৃদয়ে নির্ভুল আঘাত হেনেছো।

সুপ্রিয়া, তুমি যে ক্ষত আমার হৃদয়ে করেছ,
সেই ক্ষত কি সেলাই করতে পারবে?

গোপীনাথ, তোমার এখন দুর্বল লাগার কথা—
আমার কাঁধে ভর দেবে?
এই নাও, হাত বাড়িয়ে দিলাম…

রামপুরহাট, বীরভূম, ভারত
১৭/১১/২০২৫